Showing posts with label ভারতীয়. Show all posts
Showing posts with label ভারতীয়. Show all posts
Exclusive Breaking News গুজরাট নির্বাচনের সেরা এক্সিট পোল চমকাতে চলেছে পুরো ভারতবাসী দের..
বিজেপির জিত পাকা করেদিলেন সব সমীক্ষা, CSGS মতে বিজেপি যদি ১২৫ টি সিট্ পরতে পারে তাহলে সমীক্ষা বলছে বিজেপি ১৩৫ থেকে ১৪০ ও পেরোতে পারে,প্রধানমন্ত্রীর রাজ্যে ২২ বছর পরও ক্ষমতায় আসতে পারছে না কংগ্রেস। মন্দিরে মন্দিরে ঘুরেও গুজরাটে এবারও শেষ হাসি হাসতে পারছেন না রাহুল গান্ধী।
নিউজ ২৪-টুডেজ চাণক্য
বিজেপি- ১১০-১২০কংগ্রেস- ৬৫-৭৫
টাইমস নাও-ভিএমআর
বিজেপি- ১০৯
কংগ্রেস- ৭০
রিপাবলিক টিভি
বিজেপি- ১০৮
কংগ্রেস- ৭৪
ইন্ডিয়া টুডে-অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়াবিজেপি- ৯৯ থেকে ১১৩
কংগ্রেস- ৬৮ থেকে ৮২
নিউজ ১৮-সি ভোটার
বিজেপি- ১০৮
কংগ্রেস-৭৪
এবিপি-সিএসডিএস
বিজেপি- ১১৭
কংগ্রেস-৬৪।
প্রধানমন্ত্রীকে খুব কটু ভাষায় আক্রমণ করেছিলেন কংগ্রেসের প্রবীণ নেতা।তার উত্তর প্রধানমন্ত্রী যেভাবে দিলেন তা জানলে আপনার মনে মোদীজির প্রতি শ্রদ্ধা জাগবে।
আসলে কংগ্রেসএর প্রবীণ নেতা মনিশঙ্কর আইয়ার দেশের প্রধানমন্ত্রীকে উদেশ্য করে বলেন,' নরেন্দ্র মোদী খুবই নীচ, তার মধ্যে এতটুকুও সভ্যতা নেই।মোদী যে রাজনীতি করেন তা অসভ্যতার সমান।'
এরপর থেকে সোশ্যাল মিডিয়া,রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন শুরু হয়ে যায়।রাহুল গান্ধী মনিশঙ্কর কে ক্ষমাও চাইতেও বলেন মোদীজির কাছে।কিন্তু মোদীজি কংগ্রেসের মতো এর কোনো পাল্টা কটু ভাষায় আক্রমণ করেননি।বরং তিনি যা বলেছেন তাতে তিনি দেশের মানুষদের মন জয় করে নিয়েছেন। নরেন্দ্রমোদী বলেন, 'কংগ্রেসের নেতারা আমাকে নীচে বলতেই পারেন কারণ আমি সেই সমাজের প্রতিনিধি যেখানে গরিব,দলিত,তফসিলি জাতি উপজাতিরা বাস করে।' তিনি আরও বলেন, ' কংগ্রেসের উচ্চ নেতারা আমাকে কটু ভাষায় আক্রমণ করেনা।
ফ্যামিলি,আমার ব্যাকগ্রাউন্ড, আমার জাতি কোনো কিছু আক্রমণ করতে ছাড়েননি তারা।কিন্তু আমার কিছু বলার নেই।কিন্তু আমি লক্ষ্য শুধু ভারতবর্ষের ১২৫ কোটি মানুষকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দিকে।যদিও কংগ্রেস নিজেদের মান রক্ষার জন্য ওই প্রবীণ নেতাকে আপাতত সাসপেন্ড করেছ।
বিজেপি শাসিত এই রাজ্যে কালো টাকা উদ্ধারে বড় সাফল্য সরকারের..
কালো টাকা এখুন ও যে পরিমানে বেরচ্ছে তার প্রমান পাওয়া গেল আবার গুজরাট থেকে,এখুন গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনের প্রথমপর্বের নির্বাচনের মধ্যেই গুজরাটের ভারুচে উদ্ধার হয় প্রায় ৫০ কোটি টাকা। এই টাকা ভারুচের এক দফতর থেকে উদ্ধার হয়েছে বলে খবর। দেশে কালো টাকা উদ্ধারে এটি একটি বড় ঘটনা বলে দাবি বিশেষজ্ঞদের।
আরও পড়ুন ~ ফের দেশবাসীর জন্য সুখবর মোদী সরকারের নীতি, কি বলছে রাষ্ট্রসঙ্ঘ রিপোর্টে দেখুন..এখুন সূত্র মারফৎ খবর পেয়ে ডিরেক্টরেট অব রেভনিউ ইন্টালিজেন্স ভারুচের ওই অফিস চত্বরে পৌঁছলে, সেখান থেকে বাতিল হওয়া ৫০০ টাকার নোট ও ১০০০ টাকার নোটের নতুন নোটের বেশ কয়েকটি বান্ডিল পাওয়া যায়।
এই কাণ্ডের সাথে যেই জড়িয়ে থাকুক তাঁর বিরদ্ধে স্পেসিফায়েড ব্য়াঙ্ক নোটস অ্যাক্ট ২০১৭ এর আওতায় ৫ ও ৭ ধারায় মামলা লাগু হবে। উল্লেখ্য, উদ্ধার হওয়া নোটির অঙ্ক ৪৮.৯১ কোটি টাকা। অভিযুক্তকে এই টাকার অঙ্কের পাঁচগুণ থেকে দশগুণ টাকা জরিমানা দিতে হবে।
ফের দেশবাসীর জন্য সুখবর মোদী সরকারের নীতি, কি বলছে রাষ্ট্রসঙ্ঘ রিপোর্টে দেখুন..
নরেন্দ্র মোদী সরকারকে রাষ্ট্র্রসঙ্ঘ গুজরাটের দ্বিতীয় দফা ভোটের আগেই দিল একটি সুখবর। রাষ্ট্রসঙ্ঘের অনুমান আগামী বছর রাজস্ব ঘাটতি ৩.২ শতাংশে সীমিত থাকবে। রাষ্ট্রসঙ্ঘের হিসেব অনুযায়ী, ২০১৮-এ আর্থিক বৃদ্ধির হার হবে ৭.২ শতাংশ এবং ২০১৯-এ বৃদ্ধি হবে ৭.৪ শতাংশ। মোদী বিরোধীরা নোটবাতিল ও জিএসটিকে হাতিয়ার বানিয়ে গুজরাট ভোটের প্রচারে নেমেছিল।
আরও পড়ুন ~ শেসে ভগবানের দরজা মনমোহনকে, কেন পড়ুন..
কিন্তু সে গুড়ে বলি। রাষ্ট্রসঙ্ঘের ঘোষণা, ভারতের অর্থনীতিতে এই দুই সংস্কার ইতিমধ্যেই প্রভাব ফেলেছে। সারাবিশ্বের আর্থিক ব্যবস্থা নিয়ে রাষ্ট্রসঙ্ঘ যে রিপোর্ট তৈরি করেছে, তাতে ধরা পড়েছে ভারতের আর্থিক ব্যবস্থার যে পরিকাঠামোগত সংস্কার মোদী করেছে, তাতে বিনিয়োগ তো বেড়েছেই, আবার সাধারণ মানুষ মুক্তহস্তে নিজের জন্য মুক্তহস্তে খরচও করতে পারছে।
আজ PM মোদীর এক নতুন চমক জেনেনিন..
আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সাবম্মতি নদীর তীরে আসবেন এবং এক নতুন সুবিধা দেশ বাসী সাথে সাথে গুজরাট কেও দেবেন, তিনি একটি সমুদ্রপৃষ্ঠে চলা উড়োজাহাজ উদ্বোদন করবেন যেটা জল ও আকাশ দুই পথেই চলতে পারবে,এই উড়োজাহাজ তিনি সাবম্মতি নদীতে চালাবেন,এর আগে এমন দেশে কখনো হয়নি এই প্রথম এমন করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী,তিনি মনে করেন এর ফলে গুজরাটে টুরিস্ট আরো উন্নতি হবে,এমনিতেও গুজরাট টুরিস্ট সারা দেশ এর মধ্যে সব থেকে বিখ্যাত,
আজ তিনি এই উড়োজাহাজ উদ্বোধন করে উত্তর গুজরাটের শ্রদ্ধাঞ্জিত অম্বাজি মন্দিরের দিকে রহনা দেবেন, মোদী আজ বৃহস্পতিবার নির্বাচন মঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে মেহসানায় এক সমাবেশে ভাষণ দিয়ে মোদী গুজরাটের বিধানসভা নির্বাচনের জন্য তার মাসব্যাপী উচ্চ-ডেসিবেল প্রচারণা শেষ করেছেন। রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেস উভয়েরই প্রধানমন্ত্রী রাহুল গান্ধীকে ট্র্যাফিক পরিস্থিতির উদ্ধৃতি দিয়ে গুজরাট নির্বাচনে রোড সো রাখার অনুমতি না পায়নি।
Big Breaking - এদিকে ভারতীয় সেনারা গুলি খাচ্ছে , ওদিকে কংগ্রেস নেতারা পাকিস্তানিদের সাথে...
হলো কনগ্রেস নেতা মনিশংকর,তিনি এক গোপন মিটিং করেন যেখানে পূর্ব প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এবং এক পাকিস্তান নেতা, এমন কি দরকার পড়ল যার জন্য পাক হাই কমিসন কে নিয়ে কনগ্রেসকে মিটিং করতে হলো,বর্তমান সরকার কে না জানিয়ে এক গোপন মিটিং এর মানে কি, ভারতীয় সেনারা রোজ দেশ এর জন্য জীবন দিচ্ছে, এর এ দিকে কংগ্রেস নিজের আখেল গোছানোর জন্য নিজের দেশকে পাকিস্তান এর মতো এক অতঙ্গবাদী দেশের সাহায্য নিচ্ছে এই গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনে, রাজনীতির সুখ নিতে কি এবার ভারত বিরোধী দেশের সাহায্য নিতে হবে?
এমন প্রশ্ন তুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন মোদী, তার পর থেকেই রাজনৈতিক মহল এই নিয়ে খুব গরম, বিজেপি মনে করছে গুজরাট ভোটে জেতার জন্যই এমন কান্ড করছে কনগ্রেস, ধীরে ধীরে দেশ থেকে যে হারে কনগ্রেস নিজের ক্ষমতা হারছে তার জন্যই কি এমন কান্ড,এক দিকে ভারতীয় সেনারা দেশ এর জন্য মরছেন, আর একদিকে দেশে থেকে দেশের নুন খেয়ে দেশের বিরুদ্ধে মিটিং করছে এমন করা প্রতিক্রিয়া দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী,বিজেপিকে হারিয়ে কংগ্রেসের আহমেদ পটেলকে মুখ্যমন্ত্রী করতে হস্তক্ষেপ পাকিস্তান।
এমন প্রশ্ন তুললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন মোদী, তার পর থেকেই রাজনৈতিক মহল এই নিয়ে খুব গরম, বিজেপি মনে করছে গুজরাট ভোটে জেতার জন্যই এমন কান্ড করছে কনগ্রেস, ধীরে ধীরে দেশ থেকে যে হারে কনগ্রেস নিজের ক্ষমতা হারছে তার জন্যই কি এমন কান্ড,এক দিকে ভারতীয় সেনারা দেশ এর জন্য মরছেন, আর একদিকে দেশে থেকে দেশের নুন খেয়ে দেশের বিরুদ্ধে মিটিং করছে এমন করা প্রতিক্রিয়া দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী,বিজেপিকে হারিয়ে কংগ্রেসের আহমেদ পটেলকে মুখ্যমন্ত্রী করতে হস্তক্ষেপ পাকিস্তান।
কি যুগ এলো - এবার মোদিকে ভোটে হারানোর জন্য বিরোধীদের হয়ে বলছে পাকিস্তান !
হলো কনগ্রেস নেতা মনিশংকর,তিনি এক গোপন মিটিং করেন যেখানে পূর্ব প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং এবং এক পাকিস্তান নেতা, এমন কি দরকার পড়ল যার জন্য পাক হাই কমিসন কে নিয়ে কনগ্রেসকে মিটিং করতে হলো,বর্তমান সরকার কে না জানিয়ে এক গোপন মিটিং এর মানে কি ? রাজনৈতিক মহল এই নিয়ে খুব গরম, বিজেপি মনে করছে গুজরাট ভোটে জেতার জন্যই এমন কান্ড করছে কনগ্রেস, ধীরে ধীরে দেশ থেকে যে হারে কনগ্রেস নিজের ক্ষমতা হারছে তার জন্যই কি এমন কান্ড,এক দিকে ভারতীয় সেনারা দেশ এর জন্য মরছেন, আর একদিকে দেশে থেকে দেশের নুন খেয়ে দেশের বিরুদ্ধে মিটিং করছে এমন করা প্রতিক্রিয়া দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী
চীনকে চাপে ফেলতে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ যা জানলে আপনি বিস্মিত হবেন..
আজ সুপ্রিমকোর্টের রামমন্দির মামলার আপডেট দেখে নিন..
আবেদনকারীদের আর্জি মেনে পিছিয়ে গেল অযোধ্যা মামলার চূড়ান্ত শুনানি। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি ফের এই মামলার শুনানি।অযোধ্যার বিতর্কিত জমি কার? এ নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে চূড়ান্ত শুনানি শুরু হয় আজ, মঙ্গলবার। এ দিন বেলা ২টো থেকে শুরু হয় শুনানি।
• সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে, মামলার নথিপত্র পেশ করার জন্য আবেদনকারীদের কাছে এটিই শেষ সুযোগ। এর পরে আর শুনানি পিছনো হবে না।
• সুপ্রিম কোর্ট জানাল, আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি অযোধ্যা মামলার শুনানি।
• সুপ্রিম কোর্টের কাছে পর্যাপ্ত সময়ের আর্জি জানালেন এই মামলার আবেদনকারীরা। ইলাহাবাদ হাইকোর্টে দাখিল সমস্ত প্রাসঙ্গিক নথিপত্রের অনুবাদ ও রেকর্ড করার জন্য এই সময়ের আর্জি জানান তাঁরা।
• ওয়াকফ বোর্ড ও বাবরি অ্যাকশন কমিটি-র দাবি, সুপ্রিম কোর্টের পাঁচ বা সাত সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চে শুনানি হোক। অন্যথায় এ দিনের শুনানি বয়কট করবে তারা।
• সুন্নি ওয়াকফ বোর্ডের আবেদন খারিজ করল সুপ্রিম কোর্ট।
• লোকসভা নির্বাচনের পর শীর্ষ আদালতে শুনানি করার আবেদন করল সুন্নি ওয়াকফ বোর্ড।
মোদী গর্জন চাপে ফেললো কংগ্রেসকে! কি বললেন মোদী অবশ্যই জানুন।
বিশ্বের সব থেকে লোক প্রিয় প্রধানমন্ত্রীর পপুলারিটি এক্ষুন ও অনেক আছে,আজ বিরোধীদের বিরুদ্ধে যে গর্জন করেছেন তা গুজরাট ভোটে বিজেপিকে যেটাতে সাহায্য করবে, আজ সোনা গেল মঞ্চ থেকে গর্জন,আজ গুজরাট সুধু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে সোনার জন্য যে পরিমানে ভির উভরে পরেছিল তাতে মনে করা যায় বিজেপি ক্ষমতা এবং তার সাথে নরেন্দ্র মোদীর ক্ষমতা, আর টানা ২২ বছর বিজেপি-র হাতে থাকা নিজের রাজ্য গুজরাতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রচারে ‘মডেল’ হিসেবে তুলে ধরলেন উত্তরপ্রদেশকে। উত্তরপ্রদেশে সদ্য শেষ হওয়া পুর ও নগর পঞ্চায়েত ভোটের ফলাফল দেখিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করলেন উত্তরপ্রদেশই ভাইব্র্যান্ট আপাতত শাসক দল বিজেপি-র কাছে! যেখানে একেবারেই ধরাশায়ী হয়েছে কংগ্রেস।এর পরেই আসে মোদীর খোঁচা, ‘‘কংগ্রেসকে হাড়ে হাড়ে চেনে উত্তরপ্রদেশ।
গুজরাতও চেনে!’’ দু’দিনে দক্ষিণ গুজরাত ও সৌরাষ্ট্রে ৭টি জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। গুজরাতে এত দিন বিজেপি’র ভোট ব্যাঙ্ক ছিলেন যে পটেল সম্প্রদায় বা পাতিদাররা, তাঁদের একটি বড় অংশের মানুষ থাকেন সৌরাষ্ট্রে। হার্দিক পটেলের সৌজন্যে যে পাতিদার ভোট নিয়ে এ বার ভাবতেই হচ্ছে বিজেপিকে। সৌরাষ্ট্রের রাজকোট ও সুরেন্দ্রনগরে দু’টি জনসভা করবেন মোদী। ভালসারের ধরমপুরের সভা দিয়ে শুরু করে আগামীকাল সৌরাষ্ট্রের ভাবনগর, জুনাগড় ও জামনগরে মোট ৪টি জনসভা করেবেন প্রধানমন্ত্রী।আগামী শনিবার পয়লা দফায় ভোট হবে সৌরাষ্ট্র ও দক্ষিণ গুজরাতের ৮৯টি জেলায়।
পাকিস্তানের নির্বাচনে প্রার্থী হতে চলেছে মুম্বই হামলার মূল অভিযুক্ত হাফিজ সঈদ..
২৬ /১১ মুম্বই হামলার মূলচক্রী হফিজ সঈদকে কিছুদিন আগেই গৃহবন্দি অবস্থা থেকে মুক্ত করেছে পাকিস্তান। এরপর, এই জঙ্গিনেতাকে নিয়ে মার্কিন চাপ কার্যত অগ্রাহ্য করে , তাকে ২০১৮ সালের নির্বাচনে সামিল হওয়ার অনুমতি দিতে চলেছে পাকিস্তান। এক সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থা সূত্রের এমনটাই জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, ২০১৮ সালের পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচনে অংশ নিতে চলেছে এই জঙ্গি নেতা।এর আগে অগাস্ট মাসে , হাফিজ সঈদের জামাত উদ দাওয়ার তরফে ঘোষণা করা হয়েছিল যে মিল্লি মুসলিম লিগ নামের এক নতুন রাজনৈতিক দল তারা গঠন করতে চলেছে। যার প্রেসিডেন্ট হবে সইফুল্লা খালিদ নামের জনৈক শিক্ষাবিদ।
আর সেই পার্টির হয়েই এবার নির্বাচনে দাঁড়াতে চলেছে এই জঙ্গি নেতা। প্রসঙ্গত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অনেকদিন আগেই হাফিজ সঈদকে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী আখ্যা দিয়েছে। এই জঙ্গিকে বন্দি করার বিষয়েও পাকিস্তানের ওপর বিস্তর চাপ সৃষ্টি করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।মুম্বই হামলা সহ ভারতে একাধিক নাশকতার ছক কষা এই জঙ্গি আপাতত স্বাধীনভাবে চলা ফেরা করছে পাকিস্তানের বুকে। এই হাফিজ সঈদ পাকিস্তানে সাংবাদিকদের জানিয়েছে, মিল্লি মুসলিম লিগ পার্টির হয়ে সে পাকিস্তান সাধারণ নির্বাচনে দাঁড়াতে চলেছে। তবে কোন কেন্দ্র থেকে সে ভোটে দাঁড়াবে সেবিষয়ে যদিও সে কিছু বলেনি।
বন্ধ হচ্ছে তিনশোরও বেশি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ, কিন্তু কেন জেনে নিন..
টানা ৫ বছর মোট আসন সংখ্যার ৩০ শতাংশও ভরাতে পারেনি বলে ৩০০টিরও বেশি বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ বন্ধ হতে চলেছে। এদের মধ্যে ১৫০টি কলেজ ভরাতে পারেনি ২০ শতাংশ আসনও। ২০১৮-’১৯-এর আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই ওই ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজগুলিকে ছাত্র ভর্তি বন্ধ করতে বলবে কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক। ছাত্রাভাবে বছরের পর বছর খাঁ খাঁ করছে বলে দেশের আরও ৫০০টি বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ওপরেও কড়া নজর রাখছে কেন্দ্র। মন্ত্রক সূত্রের খবর, আগামী দিনে সেগুলিও বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে।এআইসিটিই-র ওয়েবসাইট জানাচ্ছে, দেশে বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের সংখ্যা ৩ হাজার। যেগুলিতে মোট ছাত্রছাত্রী ভর্তি হতে পারে ১৩ লক্ষ ৫৬ হাজার জন।
তার মধ্যে অন্তত ৮০০টি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের অবস্থা করুণ। সেগুলির অর্ধেক আসনই খালি পড়ে রয়েছে।মন্ত্রকের অধীনে থাকা দেশের ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষাব্যবস্থার নিয়ন্ত্রক সংস্থা ‘অল ইন্ডিয়া কাউন্সিল ফর টেকনিক্যাল এডুকেশন’ (এআইসিটিই)-এর চেয়ারপার্সন অধ্যাপক অনিল ডি সহস্রবুধে জানিয়েছেন, দেশের বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজগুলির দশা যথেষ্টই বেহাল। ছাত্রছাত্রীর অভাবে খাঁ খাঁ করছে বেশির ভাগ বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ। কলেজগুলিতে পুরোপুরি তালা ঝুলিয়ে দেওয়া হলে সমস্যা বাড়বে বই কমবে না। কলেজগুলির জন্য প্রচুর বিনিয়োগ করা হয়েছে। ব্যাঙ্ক ঋণের পরিমাণও খুব কম নয় কলেজগুলির। তাই আরও যে ৫০০টি বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ওপর কেন্দ্রীয় মন্ত্রক কড়া নজর রাখছে, সেগুলিকে পুরোপুরি বন্ধ করে দিতে বলা হবে না। বরং বলা হবে ওই কলেজগুলিকে বিজ্ঞান কলেজ, নানা রকমের স্কিল গড়ে তোলা ও বৃত্তিশিক্ষার কলেজে নিজেদের বদলে নিতে।
বিজেপি নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়ের করা প্রতিক্রিয়া..
রানিকুঠির জিডি বিড়লা স্কুলে নির্যাতিতা শিশুর বাড়িতে গেলেন বিজেপির মহিলা মোর্চার নেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়। বাঘাযতীনে শিশুটির বাড়িতে যান তিনি। বেশ কিছুক্ষণ কথা বলেন শিশুটির মায়ের সঙ্গে।নির্যাতিতা শিশুর বাড়িতে গিয়ে দেখা করলেন বিজেপির মহিলার মোর্চার সভানেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়। অন্যদিকে স্কুলে ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের ঘটনা ক্ষমার অযোগ্য বলে বর্ণনা করলেন কেন্দ্রের স্কুল শিক্ষা মন্ত্রকের সচিব অনিল স্বরূপ।
এদিকে, কলকাতায় বেসরকারি স্কুলের পরিকাঠামো খতিয়ে দেখতে আসা কেন্দ্রীয় স্কুল শিক্ষা সচিব অনিল স্বরূপের মন্তব্য, স্কুলে ছাত্রীকে যৌন নির্যাতনের ঘটনা ক্ষমার অযোগ্য। রানিকুঠির জিডি বিড়লা স্কুল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পড়ুয়াদের নিরাপত্তার দিকটি সবথেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি স্কুলে সিসিটিভি থাকা বাধ্যতামূলক বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। একটি বেসরকারি স্কুলের পরিকাঠামো খতিয়ে দেখতে কেষ্টপুরে গিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্কুল শিক্ষা মন্ত্রকের সচিব।
সাবধান ৪২ টি চাইনিস অ্যাপ ব্যান্ড,জেনে নিন সেগুলি..
ডেস্ক:ডোকালাম এ ভারতের কাছে হেরে যাওয়া চিন এখন মোবাইল অ্যাপস এর সাহায্য নিয়ে ভারতের গোপন তথ্য চুরি করার চেষ্টা করছে।আপনারা হয়তো শুনেছেন কিছুদিন আগে গুগল, চিনের uc browsaer কে ব্যান করেছিল ডেটা চুরি করার অভিযোগে।সেই চুরি করার অভ্যাস তারা এখনো ত্যাগ করতে পারিনি।এখন চিন তাদের মোবাইল ডিভাইস,মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনকে কাজে লাগিয়ে ভারতীয় সেনা অফিসার এবং সেনাদের ব্যাক্তিগত তথ্য চুরি করার চেষ্টা করছে।ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো কর্তৃপক্ষ ভারতীয় সেনাবাহিনীকে ৪২ টি ফোন অ্যাপ্লিকেশন ডিলিট করার জন্য সতর্ক করেছে।ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো এর তরফ থেকে দাবি করা হয়েছে,কিছু বিদেশী গোয়েন্দা সংস্থা বিশেষ করে চিন ও পাকিস্তান থেকে বিশেষ কিছু অ্যাপ ছড়াচ্ছে যেগুলো স্মার্টফোনের ডেটা চুরি করতে পারে।এই অ্যাপ ব্যবহারের মধ্যে দিয়ে নিজের পার্সোনাল সমস্ত ডেটা পৌঁছে যেতে পারে চিনা গোয়েন্দা সংস্থার কাছে,যেটা দেশের নিরাপত্তার খাতিরে খুবই ভয়াবহ ব্যাপার।সেনাবাহিনীকে বলা হয়েছে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এইসমস্ত অ্যাপ গুলিকে আনইনস্টল করে ফোনকে ফরমেট করতে।
মনে করা হচ্ছে এই সমস্ত অ্যাপস এর মধ্যে স্পাইওয়ের ব্যবহার করে ফোনের ডেটা চুরি করছে চিন।ট্রু কলার, ক্লিন মাস্টার, 360 ডিগ্রি,বিউটি প্লাস, উই চ্যাট,ইউসি নিউজ,শেয়ার ইট, এক্সএন্ডার,ডিইউ স্পিড বুস্টার, Mi কমিউনিটি,Mi স্টোর, CM ব্রাউসার,ওয়েইবো,বাইডু ম্যাপস,নিউজ ডগ, প্যারালাল স্পেস, ফটো ওয়ান্ডার,এর মতো জনপ্রিয় অ্যাপ গুলিকে এই ৪২ টি অ্যাপস এর মধ্যে ধরা হয়েছে।এই অ্যাপস গুলি ভারতে প্রচুর পরিমানে ব্যাবহৃত হয় এবং এগুলি চিন কর্তৃক বানানো যার ফলে ভারতের জাতীয় স্তরে নিরাপত্তা বিঘ্ন হতে পারে।ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো এলএসি(লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল) এবং ভারত চিন বর্ডারে থাকা সৈনিকদের জানিয়েছে যে তাদের কাছে থাকা চাইনিজ অ্যাপস বা চিনা ডিভাইস দ্বারা সাইবার এট্যাক হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।এতে চিন ভারতীয় সেনাদের মধ্যে হওয়া গোপনীয় তথ্য আদান প্রদান এর কথা জেনে যেতে পারে।তাই অ্যাপস আনইনস্টল করে ফোন ফরমেট করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।শুধু অ্যাপসই নয় যদি কোনো চাইনিজ লিংক চোখে পড়ে তাতেও না ক্লিক করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।সেনাদের সাথে সাথে ভারতবর্ষের সাধারণ মানুষেরও উচিত ওই সমস্ত অ্যাপ্লিকেশন গুলিকে আনইনস্টল করা।কারণ চিন ভারতের ডেটা চুরি করে ভারতকে আন্তর্জাতিক মহলে ছোট করার চেষ্টা করছে এবং ভারতের এলাকা দখলেরও চেষ্টা করছে।তাই দেশের স্বার্থে প্ৰত্যেক ভারতবাসীর উচিত চিনা অ্যাপ্লিকেশন গুলি ডিলেট করা।
মনে করা হচ্ছে এই সমস্ত অ্যাপস এর মধ্যে স্পাইওয়ের ব্যবহার করে ফোনের ডেটা চুরি করছে চিন।ট্রু কলার, ক্লিন মাস্টার, 360 ডিগ্রি,বিউটি প্লাস, উই চ্যাট,ইউসি নিউজ,শেয়ার ইট, এক্সএন্ডার,ডিইউ স্পিড বুস্টার, Mi কমিউনিটি,Mi স্টোর, CM ব্রাউসার,ওয়েইবো,বাইডু ম্যাপস,নিউজ ডগ, প্যারালাল স্পেস, ফটো ওয়ান্ডার,এর মতো জনপ্রিয় অ্যাপ গুলিকে এই ৪২ টি অ্যাপস এর মধ্যে ধরা হয়েছে।এই অ্যাপস গুলি ভারতে প্রচুর পরিমানে ব্যাবহৃত হয় এবং এগুলি চিন কর্তৃক বানানো যার ফলে ভারতের জাতীয় স্তরে নিরাপত্তা বিঘ্ন হতে পারে।ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো এলএসি(লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল) এবং ভারত চিন বর্ডারে থাকা সৈনিকদের জানিয়েছে যে তাদের কাছে থাকা চাইনিজ অ্যাপস বা চিনা ডিভাইস দ্বারা সাইবার এট্যাক হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।এতে চিন ভারতীয় সেনাদের মধ্যে হওয়া গোপনীয় তথ্য আদান প্রদান এর কথা জেনে যেতে পারে।তাই অ্যাপস আনইনস্টল করে ফোন ফরমেট করার জন্য পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।শুধু অ্যাপসই নয় যদি কোনো চাইনিজ লিংক চোখে পড়ে তাতেও না ক্লিক করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।সেনাদের সাথে সাথে ভারতবর্ষের সাধারণ মানুষেরও উচিত ওই সমস্ত অ্যাপ্লিকেশন গুলিকে আনইনস্টল করা।কারণ চিন ভারতের ডেটা চুরি করে ভারতকে আন্তর্জাতিক মহলে ছোট করার চেষ্টা করছে এবং ভারতের এলাকা দখলেরও চেষ্টা করছে।তাই দেশের স্বার্থে প্ৰত্যেক ভারতবাসীর উচিত চিনা অ্যাপ্লিকেশন গুলি ডিলেট করা।
বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য অমিতাভ ব নেতাজির মধ্যে গভীর সম্পর্ক...
Saturday, 2 December 2017
West Bengal News
, অন্যান্য
, জনপ্রিয়
, দেশ
, নতুন খবর
, বাংলা নিউস লাইভ
, ভারতবর্ষ
, ভারতীয়
,
জয়া ভাদুড়ী বাদেও তাঁর আত্মীয়তার যোগাযোগ রয়েছে বাংলার সাথে। আবার নেতাজির গভীর সম্পর্ক রয়েছে উত্তরপ্রদেশের সাথে। কারণ তাঁর পূর্বপুরুষরা সেই মাটিরই সন্তান। এক গবেষণায় উঠে এলো একটি অবিস্বাশকর সত্য। অমিতাভ বচ্চন আর নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু নাকি একই পরিবারের সন্তান। শুধু তাই নয়, অন্তর্জাতিক গবেষক থেকে জানা গেছে হাজার বছর আগে এঁদের সকল পূর্বপুরুষ একই পরিবারের সন্তান ছিলেন।
এমনকি ভারতের দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর সঙ্গেও এঁদের সম্পর্ক রয়েছে। পাঁচকুলিন কায়স্থ উত্তর ভারত থেকে বাংলায় চলে আসে ছিলেন। এই পাঁচকুলিন কায়স্থ হলেন ঘোষ, বোস, মিত্র, দত্ত ও গুহ। তারপর তাঁরা এই পদবী নিয়েই তাদের জীবন বাংলায় অতিবাহিত করতে থাকেন। গবেষণা বলেছে যে, বাংলার বসু পরিবার আর উত্তরপ্রদেশের শ্রীবাস্তব পরিবার একই পূর্বপুরুষ থেকে এসেছে। সেই মত অনুযায়ী বচ্চন ও নেতাজির সম্পর্ক আত্মীয়তার।
source
এমনকি ভারতের দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর সঙ্গেও এঁদের সম্পর্ক রয়েছে। পাঁচকুলিন কায়স্থ উত্তর ভারত থেকে বাংলায় চলে আসে ছিলেন। এই পাঁচকুলিন কায়স্থ হলেন ঘোষ, বোস, মিত্র, দত্ত ও গুহ। তারপর তাঁরা এই পদবী নিয়েই তাদের জীবন বাংলায় অতিবাহিত করতে থাকেন। গবেষণা বলেছে যে, বাংলার বসু পরিবার আর উত্তরপ্রদেশের শ্রীবাস্তব পরিবার একই পূর্বপুরুষ থেকে এসেছে। সেই মত অনুযায়ী বচ্চন ও নেতাজির সম্পর্ক আত্মীয়তার।
source
আধার লিঙ্কের ঝামেলা থেকে মুক্তি। কেন্দ্র সরকারের এক বড়ো সিদ্ধান্ত..
আপনি কি এখনো আপনার মোবাইল নম্বরের সাথে আধার লিঙ্ক করেন নি? কিংবা কোনো কাজের মধ্যে পড়ে আধার লিঙ্ক করার সময় পাননি? তাহলে র চিন্তা নেই। আপনাকে ফোনের নম্বরের সাথে আধার লিঙ্ক করার জন্য আর ছোটাছুটি করতে হবে না।
এখন থেকে আপনি বাড়িতে বসেই আধার লিঙ্ক যোগ করতে পারবেন আপনার নম্বরের সাথে। এমনই ঘোষণা করেছেন টুইটারে ইউ.আই.ডি.এ.আই.(ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি)।এতদিন মোবাইল নম্বরের সাথে আধার লিঙ্ক করানোর জন্য অনেক ঝামেলা পোয়াতে হতো। প্রথমে রিটেলারের কাছে যাও, ফিঙ্গারপ্রিন্ট দাও, আধার নম্বর বলো ইত্যাদি। মূলত, বয়স্ক ক্ষেত্রে একটা সমস্যা দেখা যেত। তাদের ফিঙ্গারপ্রিন্ট ম্যাচ হতে চাইতো না।কিন্তু এখন থেকে মোবাইলে ওটিপি-এর (ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ডের) সাহায্যে আধার লিঙ্ক করা যাবে, এমনটিই জানিয়েছে ইউ.আই. ডি. এ. আই। কয়েকটি পদ্ধতির সাহায্যে আপনি নিজেরই করতে পারবেন আধার লিঙ্ক। জানতে চান পদ্ধতিগুলো??
১. ইউ.আই.ডি.এ.আই ভয়েস কল বা এসএমএসের সাহায্যে আপনার ফোনে একটি ওটিপি পাঠাবে।
২. এসএমএস-এর সাহায্যে ওটিপি পেতে হলে আপনাকে আগে সার্ভিস প্রোভাইডারকে আধার নম্বর এসএমএস করে পাঠাতে হবে।
৩. এরপর ইউআইডিএআই ওটিপি আপনার ফোনে পাঠাবে।
৪. তারপর আপনাকে ওটিপিএর সঙ্গে আধার নম্বর ম্যাচ করতে হবে। একেই বলা হয় ই-কেওয়াইসি ভেরিফিকেশন।এর পরেই আপনার নম্বরের সাথে আধার লিঙ্ক যুক্ত হয়ে যাবে।
এখন থেকে আপনি বাড়িতে বসেই আধার লিঙ্ক যোগ করতে পারবেন আপনার নম্বরের সাথে। এমনই ঘোষণা করেছেন টুইটারে ইউ.আই.ডি.এ.আই.(ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি)।এতদিন মোবাইল নম্বরের সাথে আধার লিঙ্ক করানোর জন্য অনেক ঝামেলা পোয়াতে হতো। প্রথমে রিটেলারের কাছে যাও, ফিঙ্গারপ্রিন্ট দাও, আধার নম্বর বলো ইত্যাদি। মূলত, বয়স্ক ক্ষেত্রে একটা সমস্যা দেখা যেত। তাদের ফিঙ্গারপ্রিন্ট ম্যাচ হতে চাইতো না।কিন্তু এখন থেকে মোবাইলে ওটিপি-এর (ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ডের) সাহায্যে আধার লিঙ্ক করা যাবে, এমনটিই জানিয়েছে ইউ.আই. ডি. এ. আই। কয়েকটি পদ্ধতির সাহায্যে আপনি নিজেরই করতে পারবেন আধার লিঙ্ক। জানতে চান পদ্ধতিগুলো??
১. ইউ.আই.ডি.এ.আই ভয়েস কল বা এসএমএসের সাহায্যে আপনার ফোনে একটি ওটিপি পাঠাবে।
২. এসএমএস-এর সাহায্যে ওটিপি পেতে হলে আপনাকে আগে সার্ভিস প্রোভাইডারকে আধার নম্বর এসএমএস করে পাঠাতে হবে।
৩. এরপর ইউআইডিএআই ওটিপি আপনার ফোনে পাঠাবে।
৪. তারপর আপনাকে ওটিপিএর সঙ্গে আধার নম্বর ম্যাচ করতে হবে। একেই বলা হয় ই-কেওয়াইসি ভেরিফিকেশন।এর পরেই আপনার নম্বরের সাথে আধার লিঙ্ক যুক্ত হয়ে যাবে।
Love Jihad এর পাল্টা জবাব দিতে RSS করতে চলেছে এমন কাজ যেকারণে জিহাদিরা রেগে লাল...
কর্মসূচীর উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন করা হলে, সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে,হিন্দু ছেলেদের সাথে মুসলিম মেয়েদের বিয়ে দেওয়া হবে এবং আগামী সপ্তাহ থেকে এই বিয়ের আয়োজন করবে আরএসএস এর শাখা সংগঠন হিন্দু জাগরণ মঞ্চ।শুধু তাই নয় বিয়ের পর দম্পতির আর্থিক,সামাজিক নিরাপত্তার ও সমস্ত দায়িত্ব নেবে হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যরা।কিন্তু এক্ষেত্রে হিন্দু রীতি মেনে বিয়ে হলেও ,মুসলিম মেয়েদের হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করার জন্য কোনো চাপ দেওয়া হবে না।হিন্দুত্ববাদী সংগঠন কেন এরকম কর্মসূচির আয়োজন করল, এই নিয়ে প্রশ্ন উঠলে উত্তরপ্রদেশের হিন্দু জাগরণ মঞ্চের প্রধান অজ্জু চৌহান বলেছেন, এই কর্মসূচিও এক ধরণের লাভ জেহাদ ।কিন্তু এক্ষেত্রে মুসলিম মহিলারাই হিন্দু যুবকদের বিয়ে করবেন।তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন,'লাভ জিহাদে শুধু মাত্র হিন্দু মেয়েদেরই নিশানা করা হচ্ছে।হিন্দু মেয়েদের এই ফাঁদে ফেলবার জন্য মুসলিম যুবকরা পৈতেও ব্যবহার করছে,মাথায় তিলক আঁকছে এমনকি হনুমান চল্লিশাও পাঠ করছে।তাই আমরা ওদের ভাষায় ওদেরকে শিক্ষা দেব।'গত বছর থেকে হিন্দু জাগরণ মঞ্চ উত্তরপ্রদেশে 'সেভ হিন্দু গার্ল' নামে প্রচারঅভিযানও শুরু করেছে ,যেখান স্কুলে স্কুলে গিয়ে ছাত্রীদের বোঝানো হয় মুসলিম যুবকদের বিয়ের কুফল।এখন সেই অভিযানকেই এগিয়ে নিয়ে যেতে নতুন কর্মসূচির আয়োজন করলো আরএসএস।
source
মুকুল বার করলো আরো এক নতুন তথ্য, শুরু হল আবার এক জল্পনা || Supravat.in
Thursday, 30 November 2017
West Bengal News
, অন্যান্য
, জনপ্রিয়
, দেশ
, নতুন খবর
, ভারতবর্ষ
, ভারতীয়
, রাজনৈতিক
,
বিশ্ব বাংলার নাম নিয়ে ব্যবসা জানালেনমুকুল রায়। তাঁর দাবি, মুখ্যমন্ত্রীর কথায় যথেষ্টই অসঙ্গতি রয়েছে। এ ব্যাপারে তদন্ত হওয়া দরকার।বুধবার বিধানসভায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “বিশ্ব বাংলা লোগো আর নাম আমার তৈরি। ২০১৩ সালে এই লোগো তৈরি করি। রাজ্য সরকারকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে তা ব্যবহার করতে দেওয়া হয়েছে।”বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী দাবিকে কার্যত ‘মিথ্যা’ বলে বিজেপি নেতা মুকুল রায় প্রশ্ন তোলেন, ‘‘বিশ্ব বাংলা লোগো যদি মুখ্যমন্ত্রীর তৈরি হয়, তা হলে ২০১৩-র ২৬ নভেম্বর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিশ্ববাংলা লোগোর ট্রেডমার্কের জন্য আবেদন জানালেন কী ভাবে?’’
দেখুন সেই ভিডিওটি
চীনকে পেছনে ফেলে বিরোধীদের মুখে ফের চুনকালি মাখালেন মোদী সরকার,কিভাবে জানলে চমকে যাবেন !!
নরেন্দ্র মোদীর গুজরাটের নির্বাচনী প্রচারণার একটি বড় উৎসাহের মধ্যে, ভারতের জিডিপি প্রবৃদ্ধি দ্বিতীয় চতুর্থাংশে জুলাই-সেপ্টেম্বরে দ্বিতীয় চতুর্থাংশ থেকে 2013 সালের জুলাই-সেপ্টেম্বরে 6.3% পর্যন্ত প্রত্যাবর্তন করে, কারণ ব্যবসার একটি ঘনবসতিপূর্ণ উত্সব ঋতু রয়েছে অর্থনৈতিকভাবে আউটেজ কার্যকলাপ এবং জিএসটি বাস্তবায়নের পর জায়িষ নির্মাণের জন্য ত্বরান্বিত উত্পাদন। দ্বিতীয়ার্ধে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) ভারতের জিডিপি প্রবৃদ্ধি এপ্রিল-জুনে 5.7% থেকে বাড়িয়ে 6.3% এবং জানুয়ারী - মার্চ এ 6.1% বৃদ্ধি পায়, কেন্দ্রীয় পরিসংখ্যান অফিসের তথ্য দেখায়। যাইহোক, জুলাই-সেপ্টেম্বরের প্রবৃদ্ধির গতি ছিল 7.3% যা আগের বছরের তুলনায় কম ছিল।এমনকি প্রত্যাশার জয়ের ফলে দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে জিডিপি প্রবৃদ্ধি কিছুটা হ্রাস পেয়েছে চীন, ভারত এখনও ড্যাগানের পিছনে দ্বিতীয় দ্রুততম ক্রমবর্ধমান প্রধান অর্থনীতির দেশ। গত অর্থবছরে চতুর্থ কোয়ার্টারে চীনে দ্রুততম বর্ধমান প্রধান অর্থনীতির তালিকায় শীর্ষ স্থানটি ভারতকে দিয়েছে, যখন দেশটির জিডিপি প্রবৃদ্ধি 6.1 শতাংশে নেমেছে। জিএসপি-র প্রবৃদ্ধি বৃদ্ধির কারণে জিডিপি প্রবৃদ্ধি 5.7 শতাংশে নেমে এসেছে এবং জিএসপি-র প্রবৃদ্ধির হার কমে যাওয়ায় বাজারের অগ্রগতির অগ্রগতির অগ্রগতির অগ্রগতির জন্য ব্যবসায়ীরা এগিয়ে এসেছে,

























