Showing posts with label টাটকা খবর. Show all posts
Showing posts with label টাটকা খবর. Show all posts
ভোট দেওয়ার আগে ভিড়ের মধ্যে নরেন্দ্র মোদিজি হটাৎ এমন কাজ করলেন দেখলে ...
গুজরাত নির্বাচনে ৯৩ টি আসনে ভোটগ্রহণ গত কাল ছিল, গত কাল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ও ভোট ছিল, তাই তিনি গুজরাট এ ভোট দিতে গিয়ে এক VIP কালচার বন্ধ করলেন।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এক VIP ভোটার ছিলেন তার গরিমা না করে তিনি সাধারণ মানুসের মতো লাইনে দাড়িয়ে ভোট দিয়েছেন,এমন কালচার প্রধানমন্ত্রী প্রথম থাকেই ছিল তিনি ২০১৪ লোকসভা ভোটেও সাধারণ মানুষর মতো লাইনে দাড়িয়ে ভোট দিয়েছিলেন।
গত কাল তিনি যখন গাড়ি থেকে নাবেন তখন সামনে তার বড় ভাই সোমবাহী মোদীকে দেখতে পেয়ে সুরক্ষা চৌকো ভেঙ্গে তিনি তার পা ধরে নমস্কার করেন এবং আশীর্বাদ করেন তার দাদা।
source
source
Exclusive Breaking News গুজরাট নির্বাচনের সেরা এক্সিট পোল চমকাতে চলেছে পুরো ভারতবাসী দের..
বিজেপির জিত পাকা করেদিলেন সব সমীক্ষা, CSGS মতে বিজেপি যদি ১২৫ টি সিট্ পরতে পারে তাহলে সমীক্ষা বলছে বিজেপি ১৩৫ থেকে ১৪০ ও পেরোতে পারে,প্রধানমন্ত্রীর রাজ্যে ২২ বছর পরও ক্ষমতায় আসতে পারছে না কংগ্রেস। মন্দিরে মন্দিরে ঘুরেও গুজরাটে এবারও শেষ হাসি হাসতে পারছেন না রাহুল গান্ধী।
নিউজ ২৪-টুডেজ চাণক্য
বিজেপি- ১১০-১২০কংগ্রেস- ৬৫-৭৫
টাইমস নাও-ভিএমআর
বিজেপি- ১০৯
কংগ্রেস- ৭০
রিপাবলিক টিভি
বিজেপি- ১০৮
কংগ্রেস- ৭৪
ইন্ডিয়া টুডে-অ্যাক্সিস মাই ইন্ডিয়াবিজেপি- ৯৯ থেকে ১১৩
কংগ্রেস- ৬৮ থেকে ৮২
নিউজ ১৮-সি ভোটার
বিজেপি- ১০৮
কংগ্রেস-৭৪
এবিপি-সিএসডিএস
বিজেপি- ১১৭
কংগ্রেস-৬৪।
আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভারতীয় নৌসেনাকে এক নতুন গুপ্ত অস্ত্র দিলেন,দেখুন..
আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভারতীয় নৌসেনাকে এক নতুন প্রযুক্তির সাবমেরিন দিলেন,যা PM মোদী গত এক বছরের মধ্যে তৈরী করেছিলেন,আজ তার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী নিজেই,
জাতির উদ্দেশে এই সাবমেরিনকে উৎসর্গ করে এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এটি হল ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’র একটি উৎকৃষ্ট উদাহরণ। এতে দেশের নৌসেনা আরও শাক্তিশালী হবে।ভারতীয় নৌসেনায় যাত্রা শুরু করল সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি সাবমেরিন আইএনএস কলবরি। বৃহস্পতিবার মুম্বইয়ের নৌবন্দরে এর সূচনা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।নৌসেনার এক শীর্ষকর্তা জানিয়েছেন, আইএনএস কলবরি হল নন-নিউক্লিয়ার সাবমেরিনগুলির মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী। ডিজেল-ইলেকট্রিক ইঞ্জিন হলেও এটি নিঃশব্দে জলের তলায় চলতে পারে। ১২.৩ মিটার উচ্চতার এই সাবমেরিনটি ৬৭.৫ মিটার দীর্ঘ।প্রজেক্ট ৭৫’-এর অঙ্গ হিসেবে ভারতীয় নৌসেনার জন্য এ রকম ছ’টি স্করপেন ক্লাস সাবমেরিন তৈরির বরাত পেয়েছে সংস্থাটি। আগামী ২০২০ সালের মধ্যে এ ধরনের আরও পাঁচটি সাবমেরিন যুক্ত হবে ভারতীয় নৌসেনা বাহিনীতে।
বিজেপি শাসিত এই রাজ্যে কালো টাকা উদ্ধারে বড় সাফল্য সরকারের..
কালো টাকা এখুন ও যে পরিমানে বেরচ্ছে তার প্রমান পাওয়া গেল আবার গুজরাট থেকে,এখুন গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনের প্রথমপর্বের নির্বাচনের মধ্যেই গুজরাটের ভারুচে উদ্ধার হয় প্রায় ৫০ কোটি টাকা। এই টাকা ভারুচের এক দফতর থেকে উদ্ধার হয়েছে বলে খবর। দেশে কালো টাকা উদ্ধারে এটি একটি বড় ঘটনা বলে দাবি বিশেষজ্ঞদের।
আরও পড়ুন ~ ফের দেশবাসীর জন্য সুখবর মোদী সরকারের নীতি, কি বলছে রাষ্ট্রসঙ্ঘ রিপোর্টে দেখুন..এখুন সূত্র মারফৎ খবর পেয়ে ডিরেক্টরেট অব রেভনিউ ইন্টালিজেন্স ভারুচের ওই অফিস চত্বরে পৌঁছলে, সেখান থেকে বাতিল হওয়া ৫০০ টাকার নোট ও ১০০০ টাকার নোটের নতুন নোটের বেশ কয়েকটি বান্ডিল পাওয়া যায়।
এই কাণ্ডের সাথে যেই জড়িয়ে থাকুক তাঁর বিরদ্ধে স্পেসিফায়েড ব্য়াঙ্ক নোটস অ্যাক্ট ২০১৭ এর আওতায় ৫ ও ৭ ধারায় মামলা লাগু হবে। উল্লেখ্য, উদ্ধার হওয়া নোটির অঙ্ক ৪৮.৯১ কোটি টাকা। অভিযুক্তকে এই টাকার অঙ্কের পাঁচগুণ থেকে দশগুণ টাকা জরিমানা দিতে হবে।
শেসে ভগবানের দরজা মনমোহনকে, কেন পড়ুন..

জাভেদ আখতার ইনি সবসময় কিছু না কিছু বাপরে চর্চায় থাকেন,আজ তিনি এক কান্ড করে বসলেন যার জন্য তিনি এখুন আবারও চর্চায়,খ্যাতনামা কবি ও গীতিকার জাভেদ আখতার, যিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংকে দেবীর সমতুল্য বলে বিতর্ক ছড়িয়ে দিয়েছিলেন, তার মন্তব্যটি এখন স্পষ্ট হয়েছে। টুইটারে, প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ এমপি বলেন যে তিনি দুটি সমীকরণ করেননি বরং ঈশ্বরের দ্বারা প্রশ্ন উত্থাপনের জন্য কেবল নিরীক্ষণের জন্য দায়বদ্ধ ছিলেন না।
তার সমালোচকদের উপর আঘাত হানতে আখতার টুইট করেছেন, "আমি আশ্চর্যের বিষয় যে মানুষ সত্যিই ভুল বোঝাবুঝি করে বা তা করার চেষ্টা করে। সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের ধারণার সমালোচনা করে আমি লক্ষ্য করলাম যে আমরা আমাদের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর মতো খারাপ প্রশাসনের মতো মানুষকে দোষারোপ করি না, কিন্তু কখনই ঈশ্বর নেই যখন সমগ্র বিশ্ব বিশৃঙ্খলা ও অপব্যবহারের মধ্যে রয়েছে। "
আজ PM মোদীর এক নতুন চমক জেনেনিন..
আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী সাবম্মতি নদীর তীরে আসবেন এবং এক নতুন সুবিধা দেশ বাসী সাথে সাথে গুজরাট কেও দেবেন, তিনি একটি সমুদ্রপৃষ্ঠে চলা উড়োজাহাজ উদ্বোদন করবেন যেটা জল ও আকাশ দুই পথেই চলতে পারবে,এই উড়োজাহাজ তিনি সাবম্মতি নদীতে চালাবেন,এর আগে এমন দেশে কখনো হয়নি এই প্রথম এমন করতে চলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী,তিনি মনে করেন এর ফলে গুজরাটে টুরিস্ট আরো উন্নতি হবে,এমনিতেও গুজরাট টুরিস্ট সারা দেশ এর মধ্যে সব থেকে বিখ্যাত,
আজ তিনি এই উড়োজাহাজ উদ্বোধন করে উত্তর গুজরাটের শ্রদ্ধাঞ্জিত অম্বাজি মন্দিরের দিকে রহনা দেবেন, মোদী আজ বৃহস্পতিবার নির্বাচন মঞ্চে অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে মেহসানায় এক সমাবেশে ভাষণ দিয়ে মোদী গুজরাটের বিধানসভা নির্বাচনের জন্য তার মাসব্যাপী উচ্চ-ডেসিবেল প্রচারণা শেষ করেছেন। রাহুল গান্ধী ও কংগ্রেস উভয়েরই প্রধানমন্ত্রী রাহুল গান্ধীকে ট্র্যাফিক পরিস্থিতির উদ্ধৃতি দিয়ে গুজরাট নির্বাচনে রোড সো রাখার অনুমতি না পায়নি।
চীনকে চাপে ফেলতে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ যা জানলে আপনি বিস্মিত হবেন..
তরমুজ না এবার কুমড়ো খুঁজতে তদন্ত কমিটি তৃণমূলের..
তাজমহলের পর এবার জামা মসজিদ নিয়ে শুরু বিতর্ক।জামা মসজিদ না যমুনা মন্দির ! কি বললেন বিজেপি নেতা ?
জামা মসজিদ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করলেন বিজেপি নেতা বিনয় কাটিয়ার।তিনি বলেন, মোঘল সম্রাটরা প্রায় ৬০০০ ঐতিহাসিক সৌধ ভেঙে গুড়িয়ে দেন যার মধ্যে ছিল অনেক মন্দিরও।' উনার মতে দিল্লির জামা মসজিদ আসলে ছিল যমুনা দেবীর মন্দির এবং তাজ মহল ছিল তোজো মহালয়া।তিনি আরও বলেছেন, মুসলিমরা দেশের বহু ঐতিহ্যশালী মন্দির,ইমারত ভেঙে ফেলেছে। তার মধ্যে হিন্দুরা রাম জন্মভূমি বা শ্রী কৃষ্ণের জন্মভূমি মুথুরার মতো কিছু জায়গাকে বাঁচিয়ে রাখতে পেরেছিল।
source
সবাইকে পিছুনে ফেলে ফের শীর্ষে মোদী, কিসে মোদী শীর্ষ স্থানে জেনে নিন..
Tuesday, 5 December 2017
জনপ্রিয়
, টাটকা খবর
, নরেন্দ্র মোদি
, বাংলা নিউস লাইভ
, ব্রেকিং
, ভারতবর্ষ
,
বাকি সবাইকে পিছনে ফেলে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী টুইটারে শীর্ষে। ২০১৭ সবথেকে বেশি ফলো নিয়ে রেকর্ড করলেন। টুইটার আজ একটি তালিকা প্রকাশ করে তার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ফলোয়ার সবথেকে বেশি।বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ফলোয়ার সংখ্যা ৩৭.৫ মিলিয়ন অর্থাৎ ৩৭ লক্ষ ৫০ হাজার।এবং দ্বিতীয় স্থানে অমিতাভ বচ্চন।
Big Breaking : গুজরাটের ফাইনাল অপিনিয়ন পোল এর ফলাফল এমন এলো যে, উড়ে গেল সকলের হুঁশ !
গুজরাট নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক মহল খুবই সক্রিয় হয়ে পড়েছে।একদিকে কংগ্রেস এর হয়ে রাহুল গান্ধী তো অন্যদিকে বিজেপির হয়ে প্রধানমন্ত্রী নিজে মাঠে নেমে পড়েছেন।নির্বাচনের মাত্র ৫ দিন আগে এক হিন্দি নিউস চ্যানেল গুজরাট নির্বাচনের এক ওপিনিয়ন পোল বের করেছিল যেখানে খোলাখুলি মানুষের মতামত নেওয়া হতো নির্বাচন নিয়ে।এই ওপিনিয়ন পোল এর ফলাফল বেরোলে দক্ষ যায়,প্রত্যেকবারের মতো এবারেও বিজেপি জয়ী হয়।এই সার্ভের ফলাফল অনুযায়ী, ১৮২ সদস্যের গুজরাট বিধানসভার মধ্যে বিজেপি ৯১ থেকে ৯৯ টি আসন আসন পেতে পারে,যেখানে কংগ্রেস পেতে পারে ৭৮ থেকে ৮৬ টি আসন।বাকি অন্যানরা পেতে পারে ৩ থেকে ৭ টি আসন।গড়ে বলতে হলে বিজেপি পেতে পারে ৯৫ টি আসন,কংগ্রেস ৮২ এবং অন্যানরা পেতে পারে ৫ টি আসন।
সেনাবাহিনীর ভয়ে কিভাবে জঙ্গিরা পালাচ্ছে জানলে ইন্ডিয়ান আর্মিকে স্যালুট জানাবেন।
ভারতীয় সেনাবাহিনীর ভয়ে এখন ভীত জঙ্গিরা।সেনা অফিসাররা জানিয়েছেন যে, জঙ্গিরা এখন পাহাড়ি রাস্তার বদলে জনপথই ব্যবহার করছে।পাখরপোরাতে একটি ধর্মস্থানে বহু মানুষ যাতায়াত করেন। সেই ভীড়েরই সুযোগ নিচ্ছে জঙ্গিরা। ওই এলাকার রাস্তায় ব্যারিকেড বসানোর প্রস্তাব দিয়েছিল সেনা। কিন্তু এই প্রস্তাবে রাজি হয়নি রাজ্য সরকার।জঙ্গিদের খোঁজে উত্তর কাশ্মীরেও ব্যাপক তল্লাশি চালাচ্ছে সেনাবাহিনী। কাশ্মীরে 'তোরা বোরা' নামে পরিচিত বাদগামের পাখরপোরাতেও বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে খতম হয়েছে চার জইশ জঙ্গি। গোয়েন্দাদের মতে, এই এলাকার গভীর জঙ্গল অনেকটা তোরা বোরার গুহার মতোই। আল কায়দা নেতা ওসামা বিন লাদেন এই গুহার গোলকধাঁধাতেই দীর্ঘ দিন আত্নগোপন করেছিল বলে তাঁদের দাবি।এটাই বলেছেন সেনা অফিসাররা।জঙ্গিরা ক্রমশ দক্ষিণ কাশ্মীর থেকে উত্তর কাশ্মীরের দিকে পালিয়ে যাচ্ছে বলে দাবি পুলিশ ও সেনাদের।
কারণ দক্ষিণ কাশ্মীরে বাড়ছে বাহিনীর সংখ্যা। সেনা অফিসারদের মতে, স্থানীয় মানুষদের একাংশের সাহায্যে দক্ষিণ কাশ্মীরের বড়ো বড়ো বাগিচা ও নির্মীয়মান বাড়িতে গ্রীষ্মে আশ্রয় পেয়েছিল জঙ্গিরা। কিন্তু এখন দক্ষিণ কাশ্মীরে থাকা তাদের পক্ষে কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই তাদের কাছে দক্ষিণ কাশ্মীর ছেড়ে উত্তর কাশ্মীরে পালিয়ে যাওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।সেনার 'কিলো ফোর্স'-এর কমান্ডিং অফিসার মেজর জেনারেল এ.কে. সিংহের মতে, লোলাব, রামহল, উত্তর কাশ্মীরের শালবাটু, হাফারুদা, দারিয়েঙ্গারদির মতো এলাকার জঙ্গলে ক্রমাগত তল্লাশি চলছে। সেনা অফিসারদের দাবি, মধ্য কাশ্মীরের বাদগামের পাখরপোরা এলাকা দিয়েই দক্ষিণ থেকে উত্তর কাশ্মীরে যাতায়াত করে জঙ্গিরা।
মোদী গর্জন চাপে ফেললো কংগ্রেসকে! কি বললেন মোদী অবশ্যই জানুন।
বিশ্বের সব থেকে লোক প্রিয় প্রধানমন্ত্রীর পপুলারিটি এক্ষুন ও অনেক আছে,আজ বিরোধীদের বিরুদ্ধে যে গর্জন করেছেন তা গুজরাট ভোটে বিজেপিকে যেটাতে সাহায্য করবে, আজ সোনা গেল মঞ্চ থেকে গর্জন,আজ গুজরাট সুধু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে সোনার জন্য যে পরিমানে ভির উভরে পরেছিল তাতে মনে করা যায় বিজেপি ক্ষমতা এবং তার সাথে নরেন্দ্র মোদীর ক্ষমতা, আর টানা ২২ বছর বিজেপি-র হাতে থাকা নিজের রাজ্য গুজরাতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী প্রচারে ‘মডেল’ হিসেবে তুলে ধরলেন উত্তরপ্রদেশকে। উত্তরপ্রদেশে সদ্য শেষ হওয়া পুর ও নগর পঞ্চায়েত ভোটের ফলাফল দেখিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করলেন উত্তরপ্রদেশই ভাইব্র্যান্ট আপাতত শাসক দল বিজেপি-র কাছে! যেখানে একেবারেই ধরাশায়ী হয়েছে কংগ্রেস।এর পরেই আসে মোদীর খোঁচা, ‘‘কংগ্রেসকে হাড়ে হাড়ে চেনে উত্তরপ্রদেশ।
গুজরাতও চেনে!’’ দু’দিনে দক্ষিণ গুজরাত ও সৌরাষ্ট্রে ৭টি জনসভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। গুজরাতে এত দিন বিজেপি’র ভোট ব্যাঙ্ক ছিলেন যে পটেল সম্প্রদায় বা পাতিদাররা, তাঁদের একটি বড় অংশের মানুষ থাকেন সৌরাষ্ট্রে। হার্দিক পটেলের সৌজন্যে যে পাতিদার ভোট নিয়ে এ বার ভাবতেই হচ্ছে বিজেপিকে। সৌরাষ্ট্রের রাজকোট ও সুরেন্দ্রনগরে দু’টি জনসভা করবেন মোদী। ভালসারের ধরমপুরের সভা দিয়ে শুরু করে আগামীকাল সৌরাষ্ট্রের ভাবনগর, জুনাগড় ও জামনগরে মোট ৪টি জনসভা করেবেন প্রধানমন্ত্রী।আগামী শনিবার পয়লা দফায় ভোট হবে সৌরাষ্ট্র ও দক্ষিণ গুজরাতের ৮৯টি জেলায়।
পাকিস্তানের নির্বাচনে প্রার্থী হতে চলেছে মুম্বই হামলার মূল অভিযুক্ত হাফিজ সঈদ..
২৬ /১১ মুম্বই হামলার মূলচক্রী হফিজ সঈদকে কিছুদিন আগেই গৃহবন্দি অবস্থা থেকে মুক্ত করেছে পাকিস্তান। এরপর, এই জঙ্গিনেতাকে নিয়ে মার্কিন চাপ কার্যত অগ্রাহ্য করে , তাকে ২০১৮ সালের নির্বাচনে সামিল হওয়ার অনুমতি দিতে চলেছে পাকিস্তান। এক সর্বভারতীয় সংবাদ সংস্থা সূত্রের এমনটাই জানা গিয়েছে। জানা গিয়েছে, ২০১৮ সালের পাকিস্তানে সাধারণ নির্বাচনে অংশ নিতে চলেছে এই জঙ্গি নেতা।এর আগে অগাস্ট মাসে , হাফিজ সঈদের জামাত উদ দাওয়ার তরফে ঘোষণা করা হয়েছিল যে মিল্লি মুসলিম লিগ নামের এক নতুন রাজনৈতিক দল তারা গঠন করতে চলেছে। যার প্রেসিডেন্ট হবে সইফুল্লা খালিদ নামের জনৈক শিক্ষাবিদ।
আর সেই পার্টির হয়েই এবার নির্বাচনে দাঁড়াতে চলেছে এই জঙ্গি নেতা। প্রসঙ্গত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র অনেকদিন আগেই হাফিজ সঈদকে আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদী আখ্যা দিয়েছে। এই জঙ্গিকে বন্দি করার বিষয়েও পাকিস্তানের ওপর বিস্তর চাপ সৃষ্টি করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।মুম্বই হামলা সহ ভারতে একাধিক নাশকতার ছক কষা এই জঙ্গি আপাতত স্বাধীনভাবে চলা ফেরা করছে পাকিস্তানের বুকে। এই হাফিজ সঈদ পাকিস্তানে সাংবাদিকদের জানিয়েছে, মিল্লি মুসলিম লিগ পার্টির হয়ে সে পাকিস্তান সাধারণ নির্বাচনে দাঁড়াতে চলেছে। তবে কোন কেন্দ্র থেকে সে ভোটে দাঁড়াবে সেবিষয়ে যদিও সে কিছু বলেনি।
দেখুন নতুন যুগলবন্দী মমতা - অখিলেশ, জল কত দূর গড়াবে জানুন এই তথ্যে..
বিজেপি যে হারে বাঙ্গালায় বাড়ছে সেই দিক মাথায় রেখে বর্তমান সরকার বিজেপি বিরোধী পার্টি গুলির সাথে যোগ সাধন করছে মমতা সরকার, এ দিন বিকেল সাড়ে ৪টে নাগাদ দলীয় সাংসদ কিরণময় নন্দকে সঙ্গে নিয়ে কালীঘাটে মুখ্যমন্ত্রী মমতার বাড়িতে যান অখিলেশ।বিজেপি বিরোধিতার মঞ্চে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাশেই থাকবেন বলে জানালেন সমাজবাদী পার্টির সভাপতি তথা উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদব। শনিবার মমতার কালীঘাটের বাড়ি গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করার পরে তিনি বলেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গরিব মানুষ এবং কৃষকদের পাশে আছেন। তিনি ধর্মনিরপেক্ষ নেত্রী। বিজেপি বিরোধী ধর্মনিরপেক্ষতার লড়াইয়ে আমরা নিশ্চয়ই তাঁর সঙ্গে থাকব।কলকাতার মহাজাতি সদনে এ দিন দলের রাজ্য সম্মেলনে যোগ দিয়ে অখিলেশ দেশ থেকে বিজেপি হঠানোর ডাক দেন।উত্তরপ্রদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী সিদ্ধার্থনাথ সিংহও এ দিন কলকাতায় এসেছিলেন ব্যক্তিগত একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে। তার ফাঁকে তিনি বলেন, ‘‘আমি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরামর্শ দিতে চাই, অখিলেশের সঙ্গে জোট করবেন না। করলে ওঁর অবস্থা হবে কংগ্রেসের মতো, যারা অখিলেশের সঙ্গে জোট করে উত্তরপ্রদেশে লড়েছিল।’’
তাঁর বক্তব্য, বিজেপি সাম্প্রদায়িক এবং ভয়ঙ্কর মিথ্যাবাদী দল। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছিলেন, কালো টাকা দেশে ফেরাবেন। কিন্তু নোট বাতিলের পর এক বছরেরও বেশি সময় পেরিয়ে যাওয়ার পরেও কালো টাকা ফেরত আসেনি! সুতরাং, এমন দলকে এক বিন্দুও এগোতে দেওয়া যাবে না। এই প্রেক্ষিতেই অখিলেশ বলেন, ‘‘ধর্মনিরপেক্ষতার কোনও লড়াইকেই আমরা দুর্বল হতে দেব না। দিদিকে সমর্থন দিতে গেলে পশ্চিমবঙ্গে যদি আমাদের দল না-ও বাড়ে, তা-ও ওঁকেই সমর্থন দেব। ধর্মনিরপেক্ষতার জন্য সংগ্রামের রাস্তাই দেশকে বাঁচানোর রাস্তা।আপনি সব সময় কৃষক ও গরিব মানুষদের পাশে থাকেন। তাই আপনার এই ধর্ম নিরপেক্ষতার এই লড়াইয়ে আমি আপনার পাশে আছি।"
আধার লিঙ্কের ঝামেলা থেকে মুক্তি। কেন্দ্র সরকারের এক বড়ো সিদ্ধান্ত..
আপনি কি এখনো আপনার মোবাইল নম্বরের সাথে আধার লিঙ্ক করেন নি? কিংবা কোনো কাজের মধ্যে পড়ে আধার লিঙ্ক করার সময় পাননি? তাহলে র চিন্তা নেই। আপনাকে ফোনের নম্বরের সাথে আধার লিঙ্ক করার জন্য আর ছোটাছুটি করতে হবে না।
এখন থেকে আপনি বাড়িতে বসেই আধার লিঙ্ক যোগ করতে পারবেন আপনার নম্বরের সাথে। এমনই ঘোষণা করেছেন টুইটারে ইউ.আই.ডি.এ.আই.(ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি)।এতদিন মোবাইল নম্বরের সাথে আধার লিঙ্ক করানোর জন্য অনেক ঝামেলা পোয়াতে হতো। প্রথমে রিটেলারের কাছে যাও, ফিঙ্গারপ্রিন্ট দাও, আধার নম্বর বলো ইত্যাদি। মূলত, বয়স্ক ক্ষেত্রে একটা সমস্যা দেখা যেত। তাদের ফিঙ্গারপ্রিন্ট ম্যাচ হতে চাইতো না।কিন্তু এখন থেকে মোবাইলে ওটিপি-এর (ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ডের) সাহায্যে আধার লিঙ্ক করা যাবে, এমনটিই জানিয়েছে ইউ.আই. ডি. এ. আই। কয়েকটি পদ্ধতির সাহায্যে আপনি নিজেরই করতে পারবেন আধার লিঙ্ক। জানতে চান পদ্ধতিগুলো??
১. ইউ.আই.ডি.এ.আই ভয়েস কল বা এসএমএসের সাহায্যে আপনার ফোনে একটি ওটিপি পাঠাবে।
২. এসএমএস-এর সাহায্যে ওটিপি পেতে হলে আপনাকে আগে সার্ভিস প্রোভাইডারকে আধার নম্বর এসএমএস করে পাঠাতে হবে।
৩. এরপর ইউআইডিএআই ওটিপি আপনার ফোনে পাঠাবে।
৪. তারপর আপনাকে ওটিপিএর সঙ্গে আধার নম্বর ম্যাচ করতে হবে। একেই বলা হয় ই-কেওয়াইসি ভেরিফিকেশন।এর পরেই আপনার নম্বরের সাথে আধার লিঙ্ক যুক্ত হয়ে যাবে।
এখন থেকে আপনি বাড়িতে বসেই আধার লিঙ্ক যোগ করতে পারবেন আপনার নম্বরের সাথে। এমনই ঘোষণা করেছেন টুইটারে ইউ.আই.ডি.এ.আই.(ইউনিক আইডেন্টিফিকেশন অথরিটি)।এতদিন মোবাইল নম্বরের সাথে আধার লিঙ্ক করানোর জন্য অনেক ঝামেলা পোয়াতে হতো। প্রথমে রিটেলারের কাছে যাও, ফিঙ্গারপ্রিন্ট দাও, আধার নম্বর বলো ইত্যাদি। মূলত, বয়স্ক ক্ষেত্রে একটা সমস্যা দেখা যেত। তাদের ফিঙ্গারপ্রিন্ট ম্যাচ হতে চাইতো না।কিন্তু এখন থেকে মোবাইলে ওটিপি-এর (ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ডের) সাহায্যে আধার লিঙ্ক করা যাবে, এমনটিই জানিয়েছে ইউ.আই. ডি. এ. আই। কয়েকটি পদ্ধতির সাহায্যে আপনি নিজেরই করতে পারবেন আধার লিঙ্ক। জানতে চান পদ্ধতিগুলো??
১. ইউ.আই.ডি.এ.আই ভয়েস কল বা এসএমএসের সাহায্যে আপনার ফোনে একটি ওটিপি পাঠাবে।
২. এসএমএস-এর সাহায্যে ওটিপি পেতে হলে আপনাকে আগে সার্ভিস প্রোভাইডারকে আধার নম্বর এসএমএস করে পাঠাতে হবে।
৩. এরপর ইউআইডিএআই ওটিপি আপনার ফোনে পাঠাবে।
৪. তারপর আপনাকে ওটিপিএর সঙ্গে আধার নম্বর ম্যাচ করতে হবে। একেই বলা হয় ই-কেওয়াইসি ভেরিফিকেশন।এর পরেই আপনার নম্বরের সাথে আধার লিঙ্ক যুক্ত হয়ে যাবে।
Love Jihad এর পাল্টা জবাব দিতে RSS করতে চলেছে এমন কাজ যেকারণে জিহাদিরা রেগে লাল...
কর্মসূচীর উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন করা হলে, সংগঠনের তরফে জানানো হয়েছে,হিন্দু ছেলেদের সাথে মুসলিম মেয়েদের বিয়ে দেওয়া হবে এবং আগামী সপ্তাহ থেকে এই বিয়ের আয়োজন করবে আরএসএস এর শাখা সংগঠন হিন্দু জাগরণ মঞ্চ।শুধু তাই নয় বিয়ের পর দম্পতির আর্থিক,সামাজিক নিরাপত্তার ও সমস্ত দায়িত্ব নেবে হিন্দু জাগরণ মঞ্চের সদস্যরা।কিন্তু এক্ষেত্রে হিন্দু রীতি মেনে বিয়ে হলেও ,মুসলিম মেয়েদের হিন্দু ধর্ম গ্রহণ করার জন্য কোনো চাপ দেওয়া হবে না।হিন্দুত্ববাদী সংগঠন কেন এরকম কর্মসূচির আয়োজন করল, এই নিয়ে প্রশ্ন উঠলে উত্তরপ্রদেশের হিন্দু জাগরণ মঞ্চের প্রধান অজ্জু চৌহান বলেছেন, এই কর্মসূচিও এক ধরণের লাভ জেহাদ ।কিন্তু এক্ষেত্রে মুসলিম মহিলারাই হিন্দু যুবকদের বিয়ে করবেন।তিনি স্পষ্টভাবে বলেছেন,'লাভ জিহাদে শুধু মাত্র হিন্দু মেয়েদেরই নিশানা করা হচ্ছে।হিন্দু মেয়েদের এই ফাঁদে ফেলবার জন্য মুসলিম যুবকরা পৈতেও ব্যবহার করছে,মাথায় তিলক আঁকছে এমনকি হনুমান চল্লিশাও পাঠ করছে।তাই আমরা ওদের ভাষায় ওদেরকে শিক্ষা দেব।'গত বছর থেকে হিন্দু জাগরণ মঞ্চ উত্তরপ্রদেশে 'সেভ হিন্দু গার্ল' নামে প্রচারঅভিযানও শুরু করেছে ,যেখান স্কুলে স্কুলে গিয়ে ছাত্রীদের বোঝানো হয় মুসলিম যুবকদের বিয়ের কুফল।এখন সেই অভিযানকেই এগিয়ে নিয়ে যেতে নতুন কর্মসূচির আয়োজন করলো আরএসএস।
source
মুখ্যমন্ত্রী কি শুধুমাত্র নিজের পরিবারের স্বার্থরক্ষার্থেই বিশ্ব বাংলা লোগো তৈরি করেছেন ?
Thursday, 30 November 2017
West Bengal News
, অন্যান্য
, জনপ্রিয়
, টাটকা খবর
, নতুন খবর
, ভারতবর্ষ
, ভারতীয়
,
মুখ্যমন্ত্রী কি শুধুমাত্র নিজের পরিবারের স্বার্থরক্ষার্থেই বিশ্ব বাংলা লোগো তৈরি করেছেন ?? তিনি কি পরিবার ছাড়া আর কিছুই বোঝেন না? বিশ্ব বাংলার মানুষ বলতে কি শুধু তার পরিবার কেই বোঝানো হয়?? মুখ্যমন্ত্রীর বিধানসভায় বসে বিশ্ব বাংলা লোগো ইস্যুতে এই প্রশ্ন তুলে ধরলেন বিজেপির মহিলা সভানেত্রী লকেট চট্টোপাধ্যায়।বিজেপির নেতা মুকুল রায় রানি রাসমণি রোডের জনসভা থেকে অভিযোগ করেছিলেন যে, "বিশ্ব বাংলা লোগো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিজস্ব মালিকানা হয়ে উঠেছে, সেটা আর রাজ্য সরকারের নেই।" এর পরিণতিতে সাংবাদিকদের ডেকে, এক বৈঠক আয়োজন করে মুকুল রায়কে মিথ্যা প্রমান করা হয়। এবং মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে মানহানির মামলাও করেন অভিষেক।অবশ্য এর উপযুক্ত পাল্টা জবাবও দিয়েছেন মুকুল রায়।
টানা ১৯ দিন ধরে চলে আসছে এই বিতর্ক। মঙ্গলবার কোর্টে হাজিরা দিতে গিয়ে জানিয়েছেন (প্রায় হুমকিই বলা চলে) যে, "যদি মুকুল রায়ের এই অভিযোগ প্রমান হয়ে যায় তাহলে, তিনি আর রাজনীতির জগতে পা রাখবেন না। কিন্তু যদি এই অভিযোগ প্রমান না হয়, তাহলে মুকুল রায় কে বাংলা ছাড়তে হবে।এতদিন নিশ্চুপ থাকা মুখ্যমন্ত্রী শেষে মুখ খুললেন। তিনি বললেন, " আমার তৈরি বিশ্ব বাংলা লোগো। আমি এই লোগো তৈরি করেছিলাম ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এবং ১৪ সালে সরকারি ঘোষণাপত্র দ্বারা জারি হয় যে, যতদিন চাইবে ততদিন এই লোগো সরকার ব্যবহার করতে পারবে।" তিনি আরো বলেন যে, "এই লোগো যদি সরকার ব্যবহার করতে না চান, তাহলে তা আবার তাঁর নিজের কাছেই ফিরে আসবে। স্বপ্নের কোনো মূল্যে হয় না। আর এই লোগো হচ্ছে আমার স্বপ্ন।" আসলে এটা বলে তিনি এটাই প্রমান করতে চাইলেন যে বিশ্ব বাংলার আর্থিক দিক থেকে তিনি কোনো ভাবে সাহায্য লাভ করেন না।
এই প্রসঙ্গে বিজেপির নেত্রী লকেট মন্তব করেন যে, তাহলে তো মুকুল রায় এর কথাটাই ঠিক। মুখ্যমন্ত্রী তো নিজেই স্বীকার করলেন। তাঁর কথার মনে তো এটাই দাঁড়াচ্ছে যে তিনি সরকার কে সামনে রেখে পারিবারিক ব্যবসা করতে চাইছেন। লকেট আরো বলেন যে, উনি বললেন যে আমার লোগো। আমার না বলে তো উনি আমাদের বা সকল বাংলার মানুষের কথা বলতে পারতেন। তাঁর একথা থেকেও বোঝা যায় যে, তিনি বিশ্ব বাংলার নাম নিয়ে শুধু নিজের পরিবার গোছাতেই ব্যস্ত। লকেট চট্টোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, তাঁদের আন্দোলন ধারাবাহিক ভাবেই চলবে।
টানা ১৯ দিন ধরে চলে আসছে এই বিতর্ক। মঙ্গলবার কোর্টে হাজিরা দিতে গিয়ে জানিয়েছেন (প্রায় হুমকিই বলা চলে) যে, "যদি মুকুল রায়ের এই অভিযোগ প্রমান হয়ে যায় তাহলে, তিনি আর রাজনীতির জগতে পা রাখবেন না। কিন্তু যদি এই অভিযোগ প্রমান না হয়, তাহলে মুকুল রায় কে বাংলা ছাড়তে হবে।এতদিন নিশ্চুপ থাকা মুখ্যমন্ত্রী শেষে মুখ খুললেন। তিনি বললেন, " আমার তৈরি বিশ্ব বাংলা লোগো। আমি এই লোগো তৈরি করেছিলাম ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে এবং ১৪ সালে সরকারি ঘোষণাপত্র দ্বারা জারি হয় যে, যতদিন চাইবে ততদিন এই লোগো সরকার ব্যবহার করতে পারবে।" তিনি আরো বলেন যে, "এই লোগো যদি সরকার ব্যবহার করতে না চান, তাহলে তা আবার তাঁর নিজের কাছেই ফিরে আসবে। স্বপ্নের কোনো মূল্যে হয় না। আর এই লোগো হচ্ছে আমার স্বপ্ন।" আসলে এটা বলে তিনি এটাই প্রমান করতে চাইলেন যে বিশ্ব বাংলার আর্থিক দিক থেকে তিনি কোনো ভাবে সাহায্য লাভ করেন না।
এই প্রসঙ্গে বিজেপির নেত্রী লকেট মন্তব করেন যে, তাহলে তো মুকুল রায় এর কথাটাই ঠিক। মুখ্যমন্ত্রী তো নিজেই স্বীকার করলেন। তাঁর কথার মনে তো এটাই দাঁড়াচ্ছে যে তিনি সরকার কে সামনে রেখে পারিবারিক ব্যবসা করতে চাইছেন। লকেট আরো বলেন যে, উনি বললেন যে আমার লোগো। আমার না বলে তো উনি আমাদের বা সকল বাংলার মানুষের কথা বলতে পারতেন। তাঁর একথা থেকেও বোঝা যায় যে, তিনি বিশ্ব বাংলার নাম নিয়ে শুধু নিজের পরিবার গোছাতেই ব্যস্ত। লকেট চট্টোপাধ্যায় স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, তাঁদের আন্দোলন ধারাবাহিক ভাবেই চলবে।
ইন্দিরা গান্ধীর নীতিতে করা জবাব PM মোদীর, দেখুন এই রাজনৈতিক মহলের গরম প্রতিবেদনটি..
কয়েকমাস আগে রাহুল গুজরাতে যাওয়ার পর থেকেই যেন রণডঙ্কা বেজে গিয়েছে মোদীর নিজের রাজ্যে। গতকালও একইদিনে পরপর চারটি প্রচারসভা করে গিয়েছেন মোদী। রাহুলের মোকাবিলা করতে গিয়ে এখন প্রধানমন্ত্রীর মুখে শুধুই গুজরাতি ভাষা, সেই সঙ্গে বারবার উঠে আসছে তাঁর ‘ভূমিপুত্র’ প্রসঙ্গও।
ছেড়ে দেওয়ার বান্দা নন কেউই, গুজরাতের ভোটের প্রচার দেখে তা টের পাওয়া যাচ্ছে বিলক্ষণ। আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণ হানতে রীতিমতো অস্ত্র শানিয়ে মাঠে নেমেছে দু’পক্ষই। গতকাল প্রধানমন্ত্রী কে জিএসটি খোঁচায় বিঁধেছিলেন রাহুল গান্ধী। ‘গুডস অ্যান্ড সার্ভিস ট্যাক্স’কে ফের ‘গব্বর সিংহ ট্যাক্স’ বলে কটাক্ষ করেছিলেন রাহুল। সেই কটাক্ষের জবাবে বুধবার মোরবির জনসভা থেকে কংগ্রেসকে পাল্টা আক্রমণ করে মোদী বলেন, ‘‘দেশকে যাঁরা লুঠ করেছেন, ডাকাতির কথা তো তাঁদের মনেই আসবে।’’ তবে এখানেই শেষ নয়। কংগ্রেস যে কোনওদিনই মোরবির মানুষদের কথা ভাবেনি, ইন্দিরা গাঁধীর প্রসঙ্গ টেনে চোখে আঙুল দিয়ে সেটাই দেখিয়ে দিতে চাইলেন প্রধানমন্ত্রী। কয়েক দশক আগে একটি সাময়িকপত্রে প্রকাশিত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গাঁধীর একটি ছবির কথা মনে করিয়ে দিলেন। সেখানে দেখা গিয়েছিল, মোরবির রাস্তার কটূ গন্ধ আড়াল করতে নাকে রুমাল চাপা দিয়ে ঢুকছেন ইন্দিরা।
কিন্তু মোদী সকলকে মনে করিয়ে দিতে চেয়েছেন, এই রাস্তা তাঁদের নেতাকর্মীদের কাছে পবিত্র রাস্তা। আর ওই গন্ধ মানবতার গন্ধ। সুখের দিন হোক বা দুঃখের, মোরবির মানুষের পাশে সবসময় থাকবেন বলেও সকলকে আশ্বস্ত করেছেন মোদী।৯ ডিসেম্বর প্রথম দফার ভোট হবে এই মোরবিতেই।হ্যান্ড পাম্প বিলির কর্মসূচিকেও যে ভাবে কংগ্রেস তাঁদের সাফল্য বলে চালাতে চাইছে এবং তা থেকে রাজনৈতিক ফায়দা তুলতে চাইছে সেই ঘটনাও অত্যন্ত নিন্দনীয় বলে এ দিন মন্তব্য করেন মোদী। অন্যদিকে, বিজেপির ঝুলিতে নর্মদা প্রকল্প, সৌনি-রমতো বড় প্রকল্পগুলি রয়েছে বলে আবারও সকলকে মনে করিয়ে দেন তিনি।গুজরাতের ১৮২টি বিধানসভা আসনের জন্য ভোট হবে দু’দফায়, ৯ ও ১৪ ডিসেম্বর। ফল বেরবে ১৮ ডিসেম্বর।এরই পাশাপাশি রয়েছে কংগ্রেসকে একের পর এক আক্রমণও। আজও ইন্দিরার প্রসঙ্গ টেনে কংগ্রেসকে ‘সামন্ত্রতান্ত্রিক মনোভাবে’ আচ্ছন্ন বলেও অভিযোগ করেন তিনি। বারবার কংগ্রেসের রাজনীতিকে পরিবারতন্ত্রের রাজনীতি বলে কটাক্ষ করেন মোদী।


























